আমাদের পরিচয়

Zoya Nine – বাংলাদেশের মানুষের জন্য তৈরি একটি বিশ্বস্ত অনলাইন গেমিং পরিবার

২০২২ সালে যাত্রা শুরু করা Zoya Nine আজ বাংলাদেশের লক্ষাধিক খেলোয়াড়ের ভরসার জায়গা হয়ে উঠেছে। আমাদের লক্ষ্য সবসময়ই একটাই – নিরাপদ, স্বচ্ছ ও আনন্দময় গেমিং অভিজ্ঞতা দেওয়া।

৫ লাখ+
নিবন্ধিত ব্যবহারকারী
৩০০০+
গেম ও স্পোর্টস মার্কেট
৪৭ কোটি+
পুরস্কার বিতরণ (৳)
২৪/৭
বাংলা সাপোর্ট

আমাদের ভিত্তি

লক্ষ্য, দৃষ্টিভঙ্গি ও মূল্যবোধ

Zoya Nine কেন তৈরি হয়েছে এবং আমরা কীসের দিকে এগিয়ে চলেছি

আমাদের লক্ষ্য

বাংলাদেশের প্রতিটি কোণের মানুষের কাছে নিরাপদ, বিনোদনমূলক এবং ন্যায্য অনলাইন গেমিং অভিজ্ঞতা পৌঁছে দেওয়া। আমরা চাই প্রতিটি খেলোয়াড় যেন মনে করেন এটা তাদেরই প্ল্যাটফর্ম।

আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি

দক্ষিণ এশিয়ার সবচেয়ে বিশ্বস্ত ও প্রযুক্তি-সমৃদ্ধ গেমিং প্ল্যাটফর্ম হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করা। উদ্ভাবন, স্বচ্ছতা আর ব্যবহারকারীর সুবিধাকে সবকিছুর কেন্দ্রে রাখা।

আমাদের প্রতিশ্রুতি

প্রতিটি লেনদেন সৎ, প্রতিটি বোনাস সত্যিকারের এবং প্রতিটি খেলোয়াড় সমান মূল্যবান। Zoya Nine-এ যা বলা হয়, তাই করা হয়।

আমাদের বিশেষত্ব

কেন লক্ষাধিক মানুষ Zoya Nine বেছে নেন?

ছয়টি কারণ যা Zoya Nine-কে বাকিদের চেয়ে আলাদা করে

সম্পূর্ণ নিরাপদ পরিবেশ

SSL এনক্রিপশন, দ্বি-স্তরীয় যাচাইকরণ এবং নিয়মিত তৃতীয়-পক্ষীয় নিরাপত্তা অডিট – আপনার তথ্য ও অর্থ সুরক্ষিত রাখতে কোনো আপোস নেই।

বিকাশ-নগদে তাৎক্ষণিক লেনদেন

বিকাশ, নগদ ও রকেটে মিনিটের মধ্যে ডিপোজিট। উইথড্রও সাধারণত ২৪ ঘণ্টার মধ্যে। বাংলাদেশের মানুষের পেমেন্ট অভ্যাস বুঝে তৈরি করা সিস্টেম।

পুরো বাংলায় সাপোর্ট

রাত ২টায়ও সমস্যা হলে বাংলায় কথা বলা যাবে। লাইভ চ্যাট, টেলিগ্রাম এবং ইমেইল – তিনটি মাধ্যমেই বাংলাভাষী দল সবসময় প্রস্তুত।

৩০০০+ গেম ও স্পোর্টস মার্কেট

স্লট, লাইভ ক্যাসিনো, ক্রিকেট বেটিং থেকে শুরু করে ই-স্পোর্টস পর্যন্ত – বাংলাদেশের খেলোয়াড়দের পছন্দ মাথায় রেখে কন্টেন্ট সাজানো হয়েছে।

স্বচ্ছ বোনাস সিস্টেম

প্রতিটি বোনাসের শর্ত পরিষ্কারভাবে লেখা। ক্যাশব্যাক, রেফারেল বা উইকলি রিওয়ার্ড – যা প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয় তা সত্যিই দেওয়া হয়।

৫ স্তরের ভিআইপি প্রোগ্রাম

যত বেশি খেলবেন তত বেশি পয়েন্ট। সিলভার থেকে ডায়মন্ড – প্রতিটি স্তরে আলাদা সুবিধা, ব্যক্তিগত ম্যানেজার ও এক্সক্লুসিভ পুরস্কার।

আমাদের গল্প

যেভাবে শুরু হয়েছিল Zoya Nine-এর যাত্রা

২০২২ সালের শুরুর দিকে কয়েকজন বাংলাদেশি প্রযুক্তি উদ্যোক্তা একটা সমস্যা লক্ষ্য করলেন – বাংলাদেশে অনলাইন গেমিং প্ল্যাটফর্মগুলো বেশিরভাগই বিদেশি, সেখানে বাংলা ভাষার সুবিধা নেই, স্থানীয় পেমেন্ট পদ্ধতি ঠিকমতো কাজ করে না এবং কাস্টমার সাপোর্টে বাংলায় কথা বলার সুযোগ নেই। তখনই জন্ম নেয় Zoya Nine-এর ধারণা।

শুরুটা ছিল ছোট। মাত্র একটা ছোট দল নিয়ে কাজ শুরু, প্রতিদিন ব্যবহারকারীদের ফিডব্যাক নিয়ে প্ল্যাটফর্ম উন্নত করা। প্রথম মাসে মাত্র কয়েকশো ব্যবহারকারী, কিন্তু তাদের কাছ থেকে মিলেছিল অনেক আস্থা। সেই আস্থাই আজ Zoya Nine-কে এই জায়গায় এনেছে।

আমরা একটা গেমিং কোম্পানি নই শুধু – আমরা এমন একটা পরিবার তৈরি করতে চেয়েছি যেখানে বাংলাদেশের মানুষ নিজেদের মতো করে উপভোগ করতে পারবেন।

আজ Zoya Nine-এর দলে আছেন ৮০ জনেরও বেশি মানুষ – বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা প্রযুক্তিবিদ, ডিজাইনার, কাস্টমার কেয়ার বিশেষজ্ঞ এবং গেমিং অ্যানালিস্ট। প্রতিটি সিদ্ধান্তের কেন্দ্রে থাকে একটাই প্রশ্ন – এটা কি আমাদের ব্যবহারকারীদের জন্য সত্যিই ভালো?

মাইলফলক
জানুয়ারি ২০২২
Zoya Nine-এর সূচনা
ঢাকায় একটি ছোট টেকটিম নিয়ে প্ল্যাটফর্মের বিটা সংস্করণ চালু হয়। প্রথম মাসে ৫০০ ব্যবহারকারী।
জুন ২০২২
বিকাশ ও নগদ ইন্টিগ্রেশন
স্থানীয় মোবাইল ব্যাংকিংয়ের সাথে যুক্ত হওয়ার পর ব্যবহারকারী দ্রুত বাড়তে শুরু করে।
মার্চ ২০২৩
লাইভ ক্রিকেট বেটিং চালু
আইপিএল ও বিপিএলে লাইভ বেটিং ফিচার চালু হয়। একই দিনে ১০,০০০-এর বেশি বেট।
সেপ্টেম্বর ২০২৩
ভিআইপি প্রোগ্রাম লঞ্চ
পাঁচ স্তরের ভিআইপি সিস্টেম চালু। প্রথম মাসেই ২,০০০ জন ভিআইপি সদস্য।
ফেব্রুয়ারি ২০২৬
৫ লাখ ব্যবহারকারীর মাইলফলক
মাত্র দুই বছরে পাঁচ লাখ নিবন্ধিত ব্যবহারকারী। মোট পুরস্কার বিতরণ ৳২৫ কোটি ছাড়িয়ে যায়।
২০২৬ (চলমান)
নতুন গেম ও ফিচার বিস্তার
প্রতি মাসে নতুন স্লট, ই-স্পোর্টস মার্কেট এবং মোবাইল অ্যাপ উন্নয়ন চলছে।

আমাদের দল

যারা Zoya Nine চালাচ্ছেন

৮০+ জনের একটি নিবেদিতপ্রাণ দল – সবার একটাই লক্ষ্য

রাশেদ আহমেদ
প্রতিষ্ঠাতা ও সিইও
প্রযুক্তি ও ফিনটেকে ১২ বছরের অভিজ্ঞতা। Zoya Nine-এর মূল কাণ্ডারি।
নাফিসা ইসলাম
প্রধান প্রযুক্তি কর্মকর্তা
সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ। প্ল্যাটফর্মের নিরাপত্তা কাঠামো তার হাতে তৈরি।
তারিকুল হাসান
হেড অব প্রোডাক্ট
ব্যবহারকারীর অভিজ্ঞতাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেন। প্রতিটি ফিচার তার তত্ত্বাবধানে।
সাদিয়া রহমান
কাস্টমার সাকসেস লিড
বাংলা সাপোর্ট দলের প্রধান। ব্যবহারকারীর সমস্যা সমাধানই তার প্যাশন।

আস্থা ও নিরাপত্তা

Zoya Nine কেন বিশ্বাসযোগ্য?

স্বচ্ছতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আমরা যা করি

লাইসেন্সড অপারেটর
আন্তর্জাতিক গেমিং লাইসেন্স প্রাপ্ত, নিয়মিত পর্যবেক্ষণের আওতায়
২৫৬-বিট SSL এনক্রিপশন
সব লেনদেন ও ব্যক্তিগত তথ্য এনক্রিপ্টেড
যাচাইকৃত RNG
সব গেমের র‌্যান্ডমনেস তৃতীয়-পক্ষীয় অডিটর দ্বারা প্রমাণিত
দ্বি-স্তরীয় যাচাইকরণ
KYC প্রক্রিয়ায় প্রতিটি একাউন্ট যাচাই করা হয়
দায়িত্বশীল গেমিং নীতি
স্ব-বর্জন, সীমা নির্ধারণ ও সহায়তা ব্যবস্থা সক্রিয়
পৃথক ফান্ড সংরক্ষণ
খেলোয়াড়দের টাকা কোম্পানির তহবিল থেকে আলাদা রাখা হয়
আমাদের মূল মূল্যবোধ
নিরাপত্তা স্বচ্ছতা সম্প্রদায় উদ্ভাবন ন্যায্যতা দায়িত্বশীলতা

বিস্তারিত পরিচয়

Zoya Nine কীভাবে বাংলাদেশের গেমিং অভিজ্ঞতা বদলে দিচ্ছে

বাংলাদেশে অনলাইন গেমিংয়ের বাজার গত কয়েক বছরে দ্রুত বড় হয়েছে। স্মার্টফোনের ব্যাপক বিস্তার এবং মোবাইল ব্যাংকিংয়ের সহজলভ্যতা এই পরিবর্তনকে ত্বরান্বিত করেছে। কিন্তু অধিকাংশ প্ল্যাটফর্ম এখনো বাংলাদেশের মানুষের বাস্তব চাহিদা পুরোপুরি বোঝে না।

Zoya Nine এই ব্যবধান পূরণ করতে এসেছে। একটা উদাহরণ দেওয়া যাক – আমাদের কাস্টমার সাপোর্ট টিম সম্পূর্ণ বাংলায় কাজ করে। কারণ আমরা জানি, একজন খেলোয়াড় যখন কোনো সমস্যায় পড়েন তখন তাকে ভেঙে ভেঙে ইংরেজিতে বোঝানো অনেক কঠিন। নিজের ভাষায় সাহায্য পেলে আস্থা অনেক বেড়ে যায়।

পেমেন্ট সিস্টেমেও একই ভাবনা কাজ করেছে। বিদেশি ক্রেডিট কার্ড বা ক্রিপ্টোর পরিবর্তে আমরা মনোযোগ দিয়েছি বিকাশ, নগদ আর রকেটে। এই তিনটি মেথডেই ডিপোজিট-উইথড্র করা যায় এবং সার্ভিস এতটাই মসৃণ করা হয়েছে যে বেশিরভাগ লেনদেনে ১ মিনিটও লাগে না।

গেম নির্বাচনের ক্ষেত্রেও বাংলাদেশের পছন্দকে প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে। ক্রিকেট এই দেশের ধর্মের মতো – তাই লাইভ ক্রিকেট বেটিংয়ে আমরা সবচেয়ে বেশি বিনিয়োগ করেছি। বিপিএল, আইপিএল, বিশ্বকাপ – প্রতিটি বড় ম্যাচে Zoya Nine-এ শত শত বাজার পাওয়া যায়। অডস আপডেট হয় প্রায় তাৎক্ষণিকভাবে।

দায়িত্বশীল গেমিংও আমাদের কাছে কথার কথা নয়। প্রতিটি একাউন্টে ডেইলি ডিপোজিট সীমা, স্ব-বর্জন সুবিধা এবং গেমিং ব্রেক ফিচার আছে। আমরা বিশ্বাস করি, সুস্থ মনে উপভোগ করাটাই আসল আনন্দ।

একনজরে Zoya Nine
প্রতিষ্ঠাকাল ২০২২ সাল
প্রধান কার্যালয় ঢাকা, বাংলাদেশ
মোট কর্মী ৮০+ জন
নিবন্ধিত ব্যবহারকারী ৫ লাখ+
মোট গেম ৩০০০+
পেমেন্ট মেথড বিকাশ, নগদ, রকেট
সাপোর্ট ভাষা বাংলা, ইংরেজি
যোগাযোগ support@zoyanine.net

প্রশ্নোত্তর

সচরাচর জিজ্ঞাসা

লেনদেন ও একাউন্ট সংক্রান্ত দুটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের উত্তর

Zoya Nine-এ বেট জেতার পর বা জ্যাকপট পাওয়ার পর পুরস্কারের টাকা সঙ্গে সঙ্গে আপনার মেইন ওয়ালেটে যোগ হয়ে যায় – সাধারণত কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে। সেই মুহূর্ত থেকেই আপনি উইথড্র করতে পারবেন। তবে বোনাস থেকে জেতা টাকার ক্ষেত্রে ওয়াগারিং শর্ত পূরণ না হওয়া পর্যন্ত উইথড্র সীমাবদ্ধ থাকতে পারে। বিকাশ বা নগদে উইথড্র রিকোয়েস্ট করার পর সাধারণত ২৪ ঘণ্টার মধ্যে টাকা আসে, তবে ভিআইপি সদস্যদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার প্রক্রিয়াকরণ থাকায় অনেক ক্ষেত্রে আরো দ্রুত হয়।

হ্যাঁ, সব ধরনের লেনদেনের বিস্তারিত ইতিহাস আপনার একাউন্টেই সংরক্ষিত থাকে। লগইন করার পর "আমার একাউন্ট" বা "হিস্ট্রি" সেকশনে গেলে দুটি আলাদা ট্যাব পাবেন – একটিতে সব বেটিং রেকর্ড (তারিখ, গেম, বেটের পরিমাণ, ফলাফল) এবং আরেকটিতে সব আর্থিক লেনদেন (ডিপোজিট, উইথড্র, বোনাস ক্রেডিট)। আপনি তারিখ অনুযায়ী ফিল্টার করে নির্দিষ্ট সময়ের রেকর্ড দেখতে পারবেন। যেকোনো লেনদেনের ট্রান্সেকশন আইডি দিয়ে কাস্টমার সাপোর্টকেও জানাতে পারেন।

Zoya Nine পরিবারে যোগ দেওয়ার সময় এখনই

পাঁচ লাখ খেলোয়াড়ের বিশ্বস্ত প্ল্যাটফর্মে আপনাকে স্বাগত। নিবন্ধন করুন এবং প্রথম ডিপোজিটে বিশেষ বোনাস উপভোগ করুন।

English